বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
নারী চায়ের দোকানী হত্যা রহস্য উন্মোচন,গ্রেফতার দুই চীনা ট্রাক নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের আমন্ত্রণে জুলফিকার আলীর চীন সফর রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্দ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে ফিরেছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র মোংলায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান ও লিফলেট বিতরণ করেন বিএনপি সভাপতি,সবেক পৌর মেয়র জুলফিকার আলী মোংলায় শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫ হাজার গাছের চারা বিতরণ আলহাজ্ব মোঃ জুলফিকার আলী সুন্দরবনকে বাচাতে,বাঘ রক্ষা করা একটি চ্যালেঞ্জ বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ বনদস্যুর আত্মসমর্পণ ফাদে আটকা পরা বাঘিনী,০৬ মাস চিকিৎসা শেষে সুন্দরবনে অবমুক্ত করলেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম

নারী চায়ের দোকানী হত্যা রহস্য উন্মোচন,গ্রেফতার দুই

দৈনিক সুন্দরবন খবর ডেস্ক:
  • Update Time : বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫৯ Time View

মোঃ নূর আলম(বাচ্চু),মোংলা প্রতিনিধিঃ

একটি নাকফুল এবং একই থান কাপড় থেকে তৈরি দুই প্যান্টের নকশার মিল মাত্র এই সামান্য সূত্র ধরে নিখোঁজের দীর্ঘ দুই মাস (৬০ দিন) পর এক চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস (তথ্য বিহীন) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করেছে মোংলা থানা পুলিশ। ভিকটিমের সঠিক পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত দুই আসামিকে গ্রেফতার এবং ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেফতারকৃতরা হলেন খুলনার দাকোপ উপজেলার লাউডোব এলাকার মৃত নুরুল শেখের ছেলে ইকরামুল শেখ (৪০) এবং ঝালকাঠির নলসিটি উপজেলার দেলুটিয়া এলাকার মৃত মোজাফফর হাওলাদারের ছেলে ও বর্তমানে মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ছাড়াবাড়ি এলাকার ভাড়াটিয়া মো. মীর আলী (৪৮)।

আজ দুপুর দেড় টায় মোংলা সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ রেফাতুল ইসলাম সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান গত ১৪ আগস্ট মোংলা ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হন আসমা বেগম। এ ঘটনায় তার পরিবার মোংলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন। নিখোঁজের ছয় দিন পর, ২০ আগস্ট রূপসা নৌ পুলিশ ফাঁড়ি বটিয়াঘাটা থানাধীন কাজিবাছা নদী থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করে।মরদেহ উদ্ধারের পর নৌ পুলিশের বেতার বার্তায় প্রচারিত ছবি দেখে তদন্তে নামে মোংলা থানা পুলিশ। তারা আসমা বেগমের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে মরদেহের পরনে থাকা প্যান্টের ছবি দেখান। তদন্তকারী দল লক্ষ্য করে, মরদেহের প্যান্টের রঙ ও নকশার সঙ্গে আসমা বেগমের বাসায় থাকা অপর একটি প্যান্টের নিখুঁত মিল রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, দুটি প্যান্টই একই থান কাপড় থেকে তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি মরদেহের নাকে থাকা নাকফুল দেখে স্বজনরা নিশ্চিত হন যে মরদেহটি আসমা বেগমেরই।

তিনি আরো জানান, ভিকটিমের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর মোংলা থানা পুলিশ গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ইকরামুল শেখ ও মো. মীর আলীকে আটক করে। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আটক ইকরামুল শেখ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যমতে তাকে সাথে নিয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় ইকরামুলের হেফাজরতে থাকা নিহত আসমা বেগমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত আসমা বেগম (৩৯) মোংলা উপজেলার মালগাজী এলাকার আঃ জবেদ আলীর মেয়ে। আসমা বেগম মোংলা বেড়িবাধের একজন চায়ের দোকানি ছিলেন। তার ১৭ বছরের একটি ছেলে ও ৯ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।চায়ের দোকান থেকেই ইকরামুল শেখ ও মীর আলীর সাথে তার পরিচয় হয়। আসমা বেগমের নিয়মিত দোকানের গ্রাহক ছিলো তারা। আসামীদের খারাপ দৃস্টি ছিলো আসমা বেগমের উপর বলে জানায় পুলিশ।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা শেষে গ্রেপ্তার ২ আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে বলে জানায় মোংলা সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ রেফাতুল ইসলাম।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102