শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মোংলার যুবদল নেতা মোঃরেজাউল কবির শুভর অর্থায়নে মাছমারা,নারিকেলতলা পুল মেরামত মোংলায় যমুনা ডিপোতে সাড়ে ১২ হাজার লিটার তেলের হিসাবে গরমিল,ডিপো ম্যানেজার বরখাস্ত মোংলা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে ২৫ মার্চ গনহত্যা দিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শরণখোলায় কিশোরী রিয়া মনির গলাকাটা লাশ উদ্ধার নোয়াখালী -৫ আসনের এমপি’র পিআরও হিসেবে সাংবাদিক মজনুকে নিয়োগ: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুরে পারিবারিক কলহে যুবকের আত্মহত্যা কোম্পানীগঞ্জে পৌর বিএনপি’র সদস্য সচিব মামুনের উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু, আহত ২ কোম্পানীগঞ্জ মডেল হাই এন্ড কেজি স্কুল এক্স স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতে-ইসলামীর উদ্যোগে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

বিনা ভাড়ায় শ তিনেক যাত্রী পারাপার করেন ট্রলারচালক মিলন

এস.এম হাসিবুর রহমান
  • Update Time : রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৯৩০ Time View

ঝালকাঠিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে লঞ্চে আগুন দেখে প্রাণ বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া শ তিনেক যাত্রীকে উদ্ধারে কাজ করেছেন মিলন খান (৩৫) নামের এক ট্রলারচালক। তিনি বিপদগ্রস্ত যাত্রীদের তীরে পৌঁছে দিয়েছেন। কাউকে কাউকে তিনি হাসপাতালের পথ পর্যন্ত এগিয়ে দিয়েছেন। যাত্রী বহনের পুরো কাজটি তিনি করেছেন বিনা ভাড়ায়।

মিলন লঞ্চঘাট বেড়িবাঁধ এলাকার মৃত সরুব আলীর ছেলে। স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে পাঁচজনের সংসার তাঁর। ট্রলার চালিয়েই সংসার চালান তিনি। প্রতিদিন তিনি ১০ টাকার বিনিময়ে সদরের দিয়াকুল থেকে শহরের লঞ্চঘাটে যাত্রী পারাপার করেন। তবে লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার দিন তিনি কারও কাছ থেকে কোনো টাকা নেননি। ঘটনার দিন রাত তিনটা থেকে পরদিন শুক্রবার সকাল আটটা পর্যন্ত আহত যাত্রীদের পারাপারের কাজ করেছেন তিনি।

ট্রলারচালক মিলন খান বলেন, ‘রাত তিনটার দিকে দিয়াকুল গ্রামের সুগন্ধা নদীতে যাত্রীদের চিৎকার ও আগুন দেখে ট্রলার নিয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি আগুন থেকে বাঁচতে যাত্রীরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ভেসে আছেন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে পাড়ে নিয়ে যাই। এলাকার লোকজন তাঁদের আশ্রয় দেন। গরম পোশাকের ব্যবস্থা করেন। তাঁদের অনেকেই দগ্ধ ছিলেন। হাত-পা ভাঙা ছিল। দ্রুত তাঁদের হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসা করানোর প্রয়োজন ছিল। দিয়াকুল গ্রামের মানুষের সহায়তায় রাত থেকে সকাল পর্যন্ত অন্তত ৩০০ যাত্রী পারাপার করে তীরে ও হাসপাতালে পাঠাতে সহায়তা করেছি। আমি কারও কাছ থেকে কোনো ভাড়া নিইনি। টাকাই সব নয়। বিপদে মানুষকে সহায়তা করেছি, এটাও কম নয়।’

পোনাবালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও দিয়াকুল গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহীন আকন ঘটনার সময় আহত যাত্রীদের জন্য স্থানীয় একটি দোকান থেকে খাবারের ব্যবস্থা করেন। যাত্রীদের উদ্ধারের জন্য ট্রলারের ব্যবস্থাও করেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মানুষের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়েছি। তবে হতাহতের সংখ্যা কম হলে মনটা ভালো লাগত।’

ঢাকা থেকে বরগুনাগামী অভিযান-১০ লঞ্চটি বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে থাকার সময় আগুন ধরে যায়। এতে এখন পর্যন্ত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ আছেন ৫১ জন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© স্বর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102