৩ টি কলাপাড়া গ্রামে খাল পুনরুদ্ধার আশা পুনরুদ্ধার করে

0
36



কুমিলিমারা ও মজিদপুর নামে দুটি সিলটেড খালটির পুনঃখনন কালাপাড়া উপজেলার তিনটি গ্রামের হাজার হাজার বাসিন্দাকে অনেক আনন্দ ও আনন্দ দিয়েছে।

কুমিরমারা, মজিদপুর ও সোনাতলা গ্রামে কৃষক সম্প্রদায় দীর্ঘকাল ধরে দু’টি সিলড আপ খালগুলিতে সেচের জন্য জল প্রবাহ বন্ধ হওয়ায় দীর্ঘকাল ধরে দুর্ভোগ পোষণ করছে।

খালগুলিতে মিঠা পানি প্রবাহিত হওয়ার সাথে সাথে তিনটি গ্রামের কৃষকরা – ‘সবজির গ্রাম’ নামে পরিচিত – ইতিমধ্যে বিভিন্ন মৌসুমী শাকসব্জির সাথে আমন ও বোরো ধানের চাষ শুরু করেছেন।

গ্রামবাসীদের মধ্যে অনেকেই বলেছিলেন যে তারা এখন একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের প্রত্যাশা করছে এবং তারা যে কষ্টের দিন সহ্য করেছে কেবল তাদের স্মৃতিতেই থাকবে।

প্রায় দুই কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে খাল খননের পরে গ্রামগুলিতে কমপক্ষে তিন হাজার বিঘা জমি বছরব্যাপী ফসলের আবাদে আসবে।

‘ক্ষুদ্র ধারক কৃষি প্রতিযোগিতা প্রকল্প’ এর আওতায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ২০১ 2019-২০১ fiscal অর্থবছরে পুনরায় খনন কাজ সম্পন্ন করেছে ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে।

খাল থেকে এক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ফসলি জমিতে সেচের জল সরবরাহের জন্য ভূগর্ভস্থ পাইপ লাইনও নির্মিত হয়েছে।

পটুয়াখালীর বিএডিসির প্রকৌশলী মোহাম্মদ সোলায়মান বলেছেন, খাল খনন করা ছাড়াও বিএডিসি কৃষকদের বাড়িতে জলের ট্যাঙ্ক বসিয়ে দেবে বৃষ্টির জল সংগ্রহের জন্য।

তিনি আরও জানান, জলাশয়গুলি কৃষকরা শুকনো মরসুমে সবজির ক্ষেতগুলিতে সেচ দিতে বা পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম করে এবং আগামী এক বছরের মধ্যে ১০০ টি বাড়িতে তারা ২ হাজার লিটার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এ জাতীয় ট্যাঙ্ক স্থাপন করবে।

কুমারীমারা গ্রামের কৃষক জাকির গাজী বলেছেন, “সেচের সংকট শেষ হয়ে গেছে। তিনটি গ্রামের কৃষকরা এখন আবার সবজি ও চাল চাষ করছেন। চলতি মৌসুমে প্রায় 200 কৃষক বোরো আবাদ করেছেন।”

একই গ্রামের দুই কৃষক সুলতান গাজী ও আবুল কালাম জানান, দুটি খাল এখন তাদের সারা বছর ধরে বিভিন্ন ফসলের জন্মাতে সহায়তা করবে।

কলাপাড়া উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবদুল মান্নান বলেন, র‌্যালিটি খালগুলি পুনঃখননের পরে আর্দ্র মৌসুমে এই অঞ্চলে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না এবং শুকনো মৌসুমে সেচের জন্য প্রচুর পরিমাণে পানি থাকবে।

সরকারের এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ, এই অঞ্চলে খাদ্য উত্পাদন বৃদ্ধি পাবে, যা শেষ পর্যন্ত দেশে সামগ্রিক খাদ্য উত্পাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here