মৌলভীবাজারে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে মাল্টা চাষ

0
23



মৌলভীবাজারে মাল্টা জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সফলভাবে মাল্টা ফলন কৃষকদের কাছে প্রচুর পরিমাণে অর্থ আনে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের (ডিএই) সূত্রে স্থানীয়ভাবে সুস্বাদু ফলের চাষ হয় is জেলায় এখন অনেকে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে জৈব মাল্টা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার মুন্সিবাজারের কৃষক আল আমিন জানান, ডিএইর পরামর্শে ২০১৩ সালে তিনি মাল্টা চাষ শুরু করেছিলেন।

তিনি বলেন, “আমি আশা করি এক মৌসুমে আমি কয়েক লক্ষ টাকায় মাল্টা বিক্রি করতে পারব।”

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার অপর কৃষক হুমায়ুন কবির জানান, তিনি তার বাগান থেকে এ বছর চার মণ মাল্টা পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন।

আল আমিন বলেন, “আমি রাজনগর উপজেলার নানদিউড়া গ্রামে dec০ দশমিক এক জমিতে মাল্টা চাষ শুরু করেছি। ডিএই তাকে বারী -১ জাতের ১৮০ টি মাল্টা চারা সরবরাহ করেছিল। চাষের জন্য আমি তিন লাখ টাকা ব্যয় করেছি। আমি বেশ কয়েকটি প্রশিক্ষণ নিয়েছি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে মাল্টা চাষ।

তিনি বলেন, “আমি বিভিন্ন জেলার মাল্টা বাগানগুলিতেও গিয়েছিলাম। এবার আমিও মাল্টা বাগান থেকে ফল বিক্রি শুরু করেছি। প্রথম ধাপে আমি দুই মণ মালতা বিক্রি করেছি প্রতি কেজি দেড়শ টাকায়,” তিনি বলেছিলেন।

স্থানীয় ক্রেতারা তার কাছ থেকে ৫-১০ কেজি মাল্টা কিনছেন, আল আমিন জানান।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মৌলভীবাজার অফিস সূত্রে জানা গেছে, এই পার্বত্য জেলা মাল্টা চাষের উপযোগী। তবে স্থানীয় কৃষকরা এই ফসলের সাথে পরিচিত নন। কেউ শখের হিসাবে উঠোনে কয়েকটা মাল্টা চারা রোপন করেছিলেন।

এতে যোগ করা হয়েছে যে কারও বাণিজ্যিক চাষ সম্পর্কে কোনও ধারণা ছিল না। এ অবস্থায় সিলেটের জৈন্তাপুর কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে কিছু চারা এনে জেলায় জেলায় মাল্টা চাষের উদ্যোগ নেয় কৃষি বিভাগ।

মৌলভীবাজারের ডিএইর উপ-পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী বলেছেন, তারা বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন এবং বিনামূল্যে চারা সরবরাহ করে মাল্টা চাষে উত্সাহিত করেছিলেন।

ডিডি যোগ করেছেন যে মৌলভীবাজারে ২ 27৫ টি মাল্টা বাগান রয়েছে। জেলার প্রায় সব উপজেলায় মাল্টা চাষ হয়েছে।

এ বছর তারা ৪৮০ টন মাল্টা উৎপাদনের প্রত্যাশা করছেন বলে তিনি জানান।

বারী আরও যোগ করেন যে এখন অনেকে মাল্টা চাষে আগ্রহী হওয়ায় এটি কৃষকদের ভাল লাভ করে।



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here