ভাঙা সেতু কয়েক মাস ধরে অপরিশোধিত রয়েছে

0
53



মির্জাপুর উপজেলার বনশীনগর গ্রামে পেকুয়া-অবীরামপুর সড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি গত আট মাস ধরে অপরিশোধিত রয়েছেন বলে জেলার তিন উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, ২১ শে জুন বালু বোঝাই যানবাহনের চাপের কারণে সেতুটি ধসে যাওয়ার কারণে সেতুটি পুনর্গঠনের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি যা সকল ধরণের চলাচল স্থগিত করে।

যদিও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পৃথিবী ভরাট করে পথচারী এবং হালকা যানবাহনের জন্য একটি অস্থায়ী বিকল্পের ব্যবস্থা করেছিলেন, তবুও ভারী যানবাহন চলাচল স্থগিত রয়েছে।

ফলস্বরূপ, মির্জাপুর, সখিপুর এবং নিকটস্থ কালিয়াকৈর উপজেলার কমপক্ষে ২০ টি গ্রামের মানুষ অবিচ্ছিন্ন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, সখীপুরের মির্জাপুর, রাজাবাড়ী, দেওয়ানপাড়া ও বাজাইল গ্রামের অবিরমপুর, কোটামারা, ইন্তচালা, বংশীনগর, দিঘিবাড়ি, মুথারচালা ও বালিয়াজন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ এবং কালিয়াকৈর উপজেলার ফুলবাড়িয়া, মুনচালা ও পাগুরাচালা গ্রামের রাস্তাটি তাদের গন্তব্যে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করে ।

অধিকন্তু, প্রতিদিন কয়েক শতাধিক সিএনজিচালিত তিন চাকার গাড়ি এবং মোটরসাইকেল রাস্তায় চলাচল করে।

বাশতাইল ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান মিল্টন জানান, স্থানীয় জনগণ দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ বয়স্কের জায়গায় একটি নতুন সেতু নির্মাণের দাবি করে আসছে।

মির্জাপুরের আরামপুর গ্রামের কৃষক বারেক শিকদার, আবদুর রউফ, জাকির হোসেন ও খায়রুল ইসলাম বলেন, পশুয়া-অবীরামপুর সড়ক বাশতাইল ইউনিয়নের নয়টি গ্রামের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম।

তারা বলেছিলেন, ফলমূল ও শাকসব্জী জাতীয় ফলন বিভিন্ন স্থানীয় বাজারে নিয়ে যাওয়ার সময় কৃষকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় তাদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

তারা আগাম মৌসুমে আমের, কাঁঠাল, লিচু এবং প্রাথমিক প্যাডিজ জাতীয় মৌসুমী ফল সহ ফসলের বাজারে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন।

মির্জাপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী আরিফুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে সেতুটি পুনর্গঠনের প্রাথমিক কাজ শেষ হয়েছে।



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here