পটুয়াখালীতে দু’জন মুজিব কিলার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

0
20


রবিবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় দুটি মুজিব কিলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতিটি মুজিব কিলায় কমপক্ষে ৫০০ লোক এবং ৫০০ গবাদি পশু আশ্রয় নিতে পারে।

কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হুমায়ুন কবির জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রক ‘মুজিব কিল্লার নির্মাণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প পরিচালনা করছেন এবং প্রকল্পের আওতায় ২০ টি নির্মাণ, সংস্কার ও বিকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কলাপাড়া উপজেলার মুজিব কিলাস।

সমস্ত সর্বশেষ খবরের জন্য, ডেইলি স্টারের গুগল নিউজ চ্যানেলটি অনুসরণ করুন follow

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিচালনায় ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার হাত থেকে জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার জন্য পটুয়াখালী সহ স্বাধীনতা-উত্তর যুগে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে অনেকগুলি মাটির কিলাস নির্মিত হয়েছিল। সেই থেকে তারা ‘মুজিব কিল্লা’ নামে পরিচিত।

তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নির্মিত এই কিলগুলি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল, পিআইও জানিয়েছে।

এর মধ্যে দুটি কিল্লার সমস্ত নির্মাণ কাজ শেষ করে রবিবার উদ্বোধন করা হয়েছিল। বাকি কিলাসের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

কলাপাড়া রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহকারী পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান খান জানান, সাধারণ কৃষিজমি থেকে প্রায় ১১ ফুট উঁচুতে ভবনগুলি নির্মিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই বিল্ডিংগুলিতে মানুষ ও গবাদি পশুরা বিপর্যয়ের সময় আশ্রয় নিতে পারে কারণ প্রতিটি ভবনে ৮ টি টয়লেট, ২ টি রান্নাঘর, স্নানের ব্যবস্থা, পানীয় জলের ব্যবস্থা এবং সৌরবিদ্যুত ব্যবস্থা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিভাগের মতে, ‘মুজিব কিলাস’ দুটি বিভাগে নির্মিত হচ্ছে- এ এবং বি। এ বিভাগে একতলা অবকাঠামোর মোট আয়তন 42,200 বর্গফুট এবং বি বিভাগ 50,400 বর্গফুট।

গবাদি পশু রাখার জন্য উভয় বিভাগেই ৮০ ফুট দৈর্ঘ্যের এবং পঞ্চাশ প্রস্থের গবাদি পশু শেড স্থাপন করা হয়েছে। তা ছাড়া একদিকে মহিলাদের এবং আশ্রয়ের অন্য পাশে পুরুষদের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গা রয়েছে।

এ বিভাগের কিল্লার নির্মাণ ব্যয় ২,০১,২০,০০০ টাকা এবং বি বিভাগের জন্য ব্যয় ২,০১,1৩,০০০ টাকা।

কলাপাড়া উপজেলার নওপাড়া ও পূর্ব টিয়াখালী গ্রামে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার লোক বাস করেন।

২০০ shelter সালে আশ্রয় না পাওয়ায় নোয়াপাড়া গ্রামের তিনজন মানুষসহ এক শিশুসহ ঘূর্ণিঝড় সিডরে মারা গিয়েছিলেন।

গ্রামের বাসিন্দা মহিউদ্দিন তালুকদার বলেছিলেন, “ঝড় ও বন্যার সময় আমাদের আর উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই কারণ আমরা এই নতুন কিল্লায় আশ্রয় নিতে পারি।”



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here