ডুমুরিয়ায় ফিল্মি স্টাইলে বসতঘর ভাংচুর –লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট

0
280
bosotvita vangchur

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধিখুলনার ডুমুরিয়ায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ফিল্মি স্টাইলে অস্ত্রের মহড়ায় এক কৃষকের বসতবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ভুক্তভোগী ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার শোভনা ইউনিয়নের দক্ষিন শিবপুর গ্রামের কৃষক আজিজুল হালদারের সাথে দীর্ঘদিন যাবত স্থানীয় রুহুল আমীন মোল্যা ও ছাকোয়াত হোসেন ছাকিগংদের সাথে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে।

একপর্যায়ে গত ৬ মাসের আগে ওই জমির উপর ১৪৪ জারি হয়। সেই জমিতে ঘটনার দিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে প্রতিপক্ষরা বহিরাগত ভাড়াটিয়া গুন্ডা এনে অস্ত্রের মহড়ায় আজিজুল হালদারের বসত বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করে। এসময়ে স্থানীয় লোক ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে আজিজুলের স্ত্রী সুমনা সুলতান বলেন, হামলাকারীরা অতর্কিতভাবে আমাদের বাসা বাড়িতে এসে হামলা চালায়। আমাকে লাঠি দিয়ে মারপিট করে ঘরে থাকা নগদটাকা, সোনা-দানাসহ লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে চলে গেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সুরঞ্জিত বৈদ্য বলেন, রুহুল আমীন ও সাখাওয়াৎ হোসেন ছাকি গংদের নেতৃত্বে ৮/১০টি মটর সাইকেলযোগে এসে ভাড়াটিয়া গুন্ডা ডুমুরিয়ার পলাশ ঘোষ, মোস্তাক খান, সঞ্জয় রায়, বাদশা খান, শহীদ শেখ, সোহাগ মোড়লসহ অজ্ঞাত আরো ১৫/২০জন দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী মাদকসেবী ও সন্ত্রাসীরা ফিল্মি স্টাইলে প্রকাশ্য দিবালোকে আজিজুলের বসতবাড়ি ভাংচুর ও লুট করে।

পরে এলাকার লোকজন ধাওয়া দিলে তারা দা-লাঠি ফেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। থানা অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বিপ্লব বলেন, বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে ৬মাস আগে থেকে আদালতের ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে।

তাই উভয় পক্ষকে বিজ্ঞ আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আজিজুল হালদার গত ৬ মাস আগে এক রাত্রে বাঁশের খুটি ও টিনের ছাউনি দিয়ে গাড়িঘর ঘর নির্মান করে সেখানে বসবাস করে আসছে।

আজ সকালে ওই জমির উপর নির্মিত বাসাটি কে-বা-কারা ভাংচুর করে। ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ পরিদর্শন করেছে। থানায় মামলা দিলে মামলা নিব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here