ক্ষয় থেকে নিজেকে বাঁচাতে বাঁশের চালকরা সেট করছেন গ্রামবাসী

0
25



কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার গ্রামবাসীরা ক্ষয় থেকে রক্ষা পেতে হালহালিয়া নদীর তীরে স্বেচ্ছাসেবীর মাধ্যমে বাঁশের চালক স্থাপন করেছেন।

তারা ভাঙ্গন থেকে বাঁচাতে বাঁশকে বাঁধিয়ে ধনচর নাটুন গ্রাম এলাকায় নদীর তীরের এক কিলোমিটারে দশটি কাঠামো তৈরি করছে।

স্থানীয়রা জানান, ইতোমধ্যে আটটি স্থাপনা নির্মিত হয়েছে। বাকি দু’টি আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে শেষ হবে।

গ্রামবাসী মোবারক আলী জানান, ধনারচর, নাটুন গ্রাম, দিগলাপাড়া ও চরপাড়া গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার পরিবার নদী তীরবর্তী বাড়িঘর, আবাদযোগ্য জমি, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থান সহ বিভিন্ন কাঠামোকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করতে স্বেচ্ছায় এগিয়ে এসেছেন।

তিনি বলেন, নদীর তীরে দশটি স্থাপনা সম্পন্ন হলে অস্থায়ী ভিত্তিতে হালালিয়ায় ভাঙ্গন রোধ করা যেতে পারে, তিনি বলেছিলেন।

চর দিগলাপাড়া গ্রামের নাসির আলী জানান, জলের স্তর হ্রাসের ফলে নদীর ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

বারবার আবেদন করা সত্ত্বেও জল উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা ভাঙন রোধে এখনও কোন পদক্ষেপ নেয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেন।

অন্য কোন বিকল্প খুঁজে না পেয়ে তারা ভাঙন থেকে বাঁচাতে বাঁশ বেঁধে নদীর তীরে কাঠামো তৈরি করতে এগিয়ে এসেছেন বলে জানান নাসির।

দুই সপ্তাহ আগে, নদীর তীরবর্তী ভাঙন রক্ষার জন্য গ্রামবাসীরা স্বেচ্ছাসেবীর ভিত্তিতে কাঠামো তৈরি শুরু করেছিলেন, পার্শ্ববর্তী চর রাজিবপুর উপজেলার চর কোদলকাটির একজন শিক্ষক আমিনুর রহমান জানান।

মাদ্রাসার শিক্ষক আমিনুর রহমান বলেন, এই মুহূর্তে নদীর ভাঙ্গন বন্ধ করা না গেলে আরও তীব্র আকার ধারণ করবে। ফলস্বরূপ, বিভিন্ন বাড়িঘর, আবাদযোগ্য জমি এবং বাগানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।

যদুরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরবেশ আলী বলেন, ক্ষয় রোধে চারটি গ্রামের লোক স্বেচ্ছাসেবীর ভিত্তিতে কাঠামো তৈরি করছে।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আল-ইমরান জানান, ভাঙন রোধে গ্রামবাসীরা নদীর তীরে প্রায় কাঠামোগত কাজ শেষ করেছেন।

তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপ নেবেন বলে ইউএনও জানিয়েছে।



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here