আইআরআরআই-বোরো চাষ পুরোদমে চলছে

0
66



জেলার নয়টি উপজেলায় আইআরআরআই-বোরো আবাদ পুরোদমে চলছে।

উপজেলার কৃষকরা চাঁদা চাষের মৌসুমে কামড়ের শীত উপেক্ষা করে আইআরআরআই-বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

উপজেলা হ’ল সদর, চাটখিল, সোনাইমুড়ি, বেগমগঞ্জ, সেনবাগ, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ, সুবর্ণচর ও হাতিয়া।

কৃষিকাজের দাম বেশি থাকায় জেলার মৌসুমে ৯০,০০০ হেক্টর কৃষিজমি এ মৌসুমে চাষাবাদ করেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের (ডিএই) সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার 9৫,৯৫০ হেক্টর জমি আইআরআরআই-বোরো আবাদে সাড়ে ৩ লাখ টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে। এর মধ্যে ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ধানের আবাদ হয়েছে।

চাটখিল উপজেলার লোটপাতিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রহমান, দুত্তরবাগ গ্রামের হারুনুর রশীদ, পৌরসভার সুন্দরপুর এলাকার নুর মোহাম্মদ, সোনাইমুড়ী উপজেলার তাতারখিল গ্রামের শামসুল হক এবং সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের আবদুর রহমান জানান, এখন এটিই আইআরআরআই-বোরো ধানের শীর্ষ চাষের মৌসুম। চাষাবাদ পুরোদমে শুরু হয়েছিল।

তারা ভোর থেকে সন্ধ্যা অবধি মাঠ তৈরিতে ব্যস্ত থাকে, তবে খামার শ্রমিকদের মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।

এদিকে, জ্বালানি তেল ও সারের দাম বেশি হওয়ায় জেলায় চলমান মৌসুমে আইআরআরআই-বোরো আবাদ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ধান লাগানো বাধাগ্রস্ত করে শ্রমিকদের মজুরিও বাড়ানো হয়েছে।

সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত কোনও শ্রমিক যদি মাঠে কাজ করেন তবে তিনি মধ্যাহ্নভোজের সাথে 600০০ থেকে 700০০ টাকা নিয়েছেন বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।

ইতোমধ্যে, জানুয়ারীতে, বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর ছয়টি সার ব্যবসায়ী ও জেলায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) 61১ টি সার ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে ৩ হাজার ৫৯১ মে.টন সার বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ইউরিয়া সার ৩,৩০৩ মে.টন, টিএসপি ৯৪২ এমটি, এমওপি 90৯০ এমটি এবং ডিএপি ১,০৫২ মে.টন.

নোয়াখালীর ডিএইর উপ-পরিচালক আইয়ুব মাহমুদ বলেছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আইআরআরআই-বোরোর উত্পাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।



LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here